সুন্দর ত্বক পাবার অতি সহজ ৫টি পদ্ধতি

বাড়িতে বসে সহজ পদ্ধতিতে আপনার ত্বককে সুন্দর রাখতে মেনে চলুন মাত্র ৫টি পদ্ধতি যা আপনাকে দিবে সুস্থ্য সুন্দর, নরম ও মসৃণ ত্বক।

১ম পদ্ধতিঃ প্রথমে মসুরের ডাল মিহি করে বেটে তাতে সামান্যে মধু মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট মুখে দিয়ে রাখার পর টানটান হয়ে আসলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২য় পদ্ধতিঃ সারাদিন বাইরে থেকে এসে আপনি খুব সহজেই একটা বা অর্ধেক আলু মিহি করে বেটে ৫-১০ মিনিট মুখে দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ।এটি আপনার সারাদিনের মুখে লাগা ধুলা বালি ও কালো কালো দাগ পড়া থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করবে।

৩য় পদ্ধতিঃ চালের বা গমের ময়দার সাথে সামান্যে লেবুর রস মিশিয়ে ৫-১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বক অনেক ভালো থাকবে।

৪র্থ পদ্ধতিঃ পেঁপে, তরমুজ ও টমেটো দিয়েও আপনি আপনার ত্বককে ঘরে বসেই সুন্দর রাখতে পারেন। পাকা পেঁপে, তরমুজ ও টমেটো খুব ভাল করে হাত দিয়ে চটকে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক নরম ও মসৃণ থাকে।

৫ম পদ্ধতিঃ ত্বককে ভাল রাখার জন্য পানি হচ্ছে প্রধান উপকরণ। শীতে ও গরমে আপনার ত্বককে ভাল রাখতে হলে অবশ্যই বেশি বেশি করে পানি খেতে হবে। শীতের সময় ঠান্ডায় শরীর ও মুখের ত্বক শুখিয়ে যায় আর গরমের সময় প্রচুর ঘাম ঝরে যার কারণে শরীর ও মুখের ত্বকে ক্লান্তি চলে আসে। তাই শরীর ও ত্বককে ভাল রাখতে হলে অবশ্যই বেশি বেশি করে পানি খেতে হবে। যখনি সময় পাবেন গরমের সময় ঠান্ডা পানি আর শীতের সময় হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে থাকবেন অন্তত আধা ঘন্টা পর পর।

কাঁচা পেঁপে এবং পাকা পেঁপের যে কয়টা গুন না জানলেই নয়

হৃদ্স্বাস্থ্য সুরক্ষায়: প্রচুর পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে পেঁপেতে। এই উপাদানগুলো রক্তনালিতে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল জমতে বাধা দেয়। তাই হৃদ্স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং উচ্চরক্তচাপ এড়াতে পেঁপে খেতে পারেন নিয়ম করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে: শরীরের মেদ ঝরাতে যাঁরা তৎপর, তাঁদের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখুন। একদিকে যেমন কম ক্যালরি আছে, অন্যদিকে থাকা আঁশ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে সবজি হিসেবে পেঁপে অনন্য।
প্রতিরোধ ব্যবস্থায়: দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদারে ভূমিকা রাখে পেঁপে। নিয়মিত পেঁপে খেলে সাধারণ রোগবালাই দূরেই থাকে।

লেটুসপাতার পাঁচ গুণ

সাধারণত খাবার ড্রেসিং করার জন্য লেটুস পাতাকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ফাস্টফুড খাবারেও এর ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু আপনার ভালো লাগে না বলে, ওটি ফেলে দিয়ে খাবারটি খান। কিন্তু জানেন কি লেটুসপাতার অনেক ধরণের খাদ্যগুন রযেছে এবং তার সঙ্গে ক্যালোরির পরিমান অনেক কম, তাই সহজে মোটা হওয়ার ভয় নেই।  জেনে নিন এই পাতার খাদ্যগুণ৷

ব্রণ নিয়ে যত বিভ্রান্তি

ব্রণ বা অ্যাকনি একটি বিরক্তিকর ও বিব্রতকর সমস্যা। সাধারণত কিশোর-কিশোরীরা এই সমস্যায় বেশি ভোগে। তখন তাদের অহরহ নানা উপদেশ দেওয়া হয়—এটা করা যাবে না, ওটা খেলে ব্রণ বাড়ে ইত্যাদি। কিন্তু এসব কথা কতটুকু ঠিক?
ব্রণ কেবল কিশোর-কিশোরীর সমস্যা?
যেকোনো বয়সের মানুষই ব্রণে আক্রান্ত হতে পারে। তবে কিশোর-কিশোরীর দেহে কিছু হরমোনাল পরিবর্তন হয়, যা ব্রণ হওয়ার পেছনে ভূমিকা রাখে। আবার কিশোরীদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে মুখে অনেক ব্রণ হতে পারে।
ভাজাপোড়া খেলে ব্রণ হয়?


ফুড পয়জনিং মোকাবিলায় ৭টি ঘরোয়া রেমিডি

১. আদা
প্রতিদিন যদি নিয়ম করে এক কুচি আদার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধু খেতে পারেন, তাহলে হজমশক্তি ভালো হওয়ার পাশাপাশি পেটে ব্যথা হলেও তা কমাতে সাহায্য করে।

২. জিরা
পেট খারাপ, পেটে ব্যথার মতো সমস্যা নিমেষে ঠিক করে দিতে পারে এক চা-চামচ জিরাগুঁড়া।

৩. তুলসি
ইনফেকশন সে পেটেরই হোক বা গলার, তা দূর করার জন্যে দারুণ উপযোগী তুলসী পাতা থেঁতো করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুফল পাওয়া যায়।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর উপায়

ক্যানসারবিরোধী খাবার খান
এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে ফলমূল ও সবজি। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত ফলমূল ও সবজি রাখবেন। রান্নার ঠিক আগ মুহূর্তে এগুলো কেটে ধুয়ে ফেলুন। তবে খেয়াল রাখবেন, টুকরোগুলো যেন বেশি ছোট না হয়। টুকরো যত বড় করবেন, ভিটামিনও তত বেশি থাকবে। টুকরো ছোট হলে অক্সিজেনের সংস্পর্শে ভিটামিনগুলো নষ্ট হয়ে যায়।

খাদ্যে ভিটামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এগুলো ক্যানসারের বিরুদ্ধে দারুণভাবে যুদ্ধ করে। ফলমূল কিংবা সবজির আঁশ আপনার শরীর থেকে ক্যানসারের উপাদান বিতাড়িত করে। গবেষকদের মতে, যারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফলমূল ও সবজি খান, তারা ক্যানসারের মৃত্যুর হাত থেকে অর্ধেকটাই বেঁচে যান। এসব খাবার ৫০ শতাংশ ক্যানসারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

হাড় মজবুত রাখতে ৫ সুপারফুড

হাড় মজবুত রাখতে ৫ সুপারফুড

দুধ: শরীর বৃদ্ধির জন্য যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম দরকার তার প্রায় সবটাই থাকে দুধের মধ্যে৷ বিশেষজ্ঞরা বলেন প্রাপ্তবয়স্কদের দিনে অনন্ত ৭০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন৷ যারা অস্টিপোরেসিসের শিকার তাদের ক্ষেত্রে দিনে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন৷ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেল্থ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভলপমেন্টের গবেষকেরা জানিয়েছেন লোট ফ্যাট দুধ বা ফ্যাট বিহীন দুধে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে৷ এবং এর ফলে দুধে থাকা ক্যালসিয়ান শরীর খুব সহজেই শুষে নিতে পারে৷ ক্যালসিয়াম ছাড়াও দুধে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, রিবোফ্ল্যাভিন, ফসফরাস, ভিটামিন ডি-এ-বি ১২ বর্তমান যা হাড়ের জন্য খুবই উপকারি৷ যারা দুধ খেতে পছন্দ করেন না তারা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ বিভিন্ন খাবার যেমন দই, চীজ ইত্যাদি খেতে পারেন৷

দারুচিনি-মধুর যত গুণ

রোগ নিরাময়ে মধু এবং দারুচিনির :
অম্ল ও গ্যাস : বিজ্ঞানীদের গবেষণা মতে, যখন দারুচিনি গুঁড়ার সঙ্গে মধু খাওয়া হয় তখন তা পেটে গ্যাস উপশম করতে সহায়তা করে।

বাত : বাত রোগীরা নিয়িমিত দুই বেলা প্রতিদিন সকালে এবং রাতে দুই চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া এক কাপ গরাম পানিতে মিশিয়ে খেলে দীর্ঘস্থায়ী বাত থেকে নিরাময় লাভ করা যায়।

ঠান্ডাজনিত সমস্যা : সাধারণ ঠান্ডা বা গুরুতর ঠান্ডায় যারা ভুগছেন তারা প্রতিদিন ১/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ার সাথে সামান্য গরম পানি মিশিয়ে এক চা চামচ মধু খান। দেখবেন তিন দিন ধরে এই পক্রিয়ায় খেলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি, ঠান্ডা এবং সাইনাসের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।